কিভাবে ব্লগিং শুরু করবো – A-Z ব্লগিং গাইড ২০২4

Rate this post

 

ভূমিকা:

 

 

২০২4 সালে যে কেউই একটি ব্লগ শুরু করতে পারেন।

এবং ব্লগ থেকে প্রতি মাসে 100-300 ইউএস ডলার আয় করতে পারে।

 

 ব্লগিং নিয়ে খুব আগ্রহী কিন্ত কিভাবে ব্লগিং শুরু করবেন তা বুঝে উঠতে পারছেন না।

এই গাইড থেকে আপনি সব কিছু জানতে পারবেন।

একদম ছোটখাট প্রত্যেকটি বিষয় কভার করা হয়েছে।

ব্লগ কি?

ব্লগ হচ্ছে একটি ওয়েবসাইট যেখানে কোন টপিকে বিভিন্ন তথ্য শেয়ার করা হয়।

 

এই ওয়েবসাইটটিও একটি ব্লগ। এখানে আমি ব্লগিং ও ডিজিটাল মার্কেটিং নিয়ে লেখালেখি করি।

 

একটি ব্লগ ও ওয়েবসাইটের মধ্যে কিছু পার্থক্য আছে। ব্লগের ধরণ ও ‍উদ্দেশ্য অনুসারে ব্লগ বিভিন্ন ধরণের হয়ে থাকে।

 

 

ব্লগিং শুরু করার আগে অবশ্যই আপনাকে এসব বিষয়ে পরিস্কার ধারণা রাখতে হবে।

ব্লগ থেকে কিভাবে আয় করা যায়:

 প্রতিনিয়ত Google Search এ অনেক সমস্যা নিয়ে সার্চ করছে।

আপনার ব্লগে যখন ওই সমস্যাগুলোর সমাধান দিবেন বা বিভিন্ন বিষয়ে উপকারী তথ্য দিবেন,

আবার প্রশ্ন হতে পারে, ব্লগিং করে কত টাকা আয় করা যায়?

 

 

কিভাবে ব্লগিং শুরু করবো – A-Z ব্লগিং গাইড ২০২4
কিভাবে ব্লগিং শুরু করবো – A-Z ব্লগিং গাইড ২০২4

অন্য পেশাজীবি যেমন ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার বা অন্য উচ্চপদস্থ কোন চাকরিজীবি যেমন আয় করে তেমন আয় কি করা সম্ভব? উত্তর অবশ্যই সম্ভব।

বরং তার চেয়ে অনেকগুন বেশি আয় করা সম্ভব।

অন্য কোন উদাহরণ দেয়ার চেয়ে আমি নিজের উদাহরণই দিতে বেশি পছন্দ করব।

আমার ২০২২ সালে চালু করা একটি ছোট ব্লগ eservicesbd.com থেকে প্রতি মাসে 150+ USD আয় হয়।

আর মাত্র ১ বছরের ব্যবধানেই এই পরিমাণ আয় করা সম্ভব।

পড়ুন- ব্লগিং করে কত টাকা আয় করা যায়

 

 

কিভাবে ব্লগিং শুরু করবো:

 

 

 ব্লগ ওয়েবসাইটি কাস্টমাইজ এবং Search Engine এর জন্য অপটিমাইজ করার পর ব্লগে লেখা শুরু করতে পারবেন।

 যেসব ধাপ অনুসরণ করতে হবে সবগুলো নিচে ধারাবাহিকভাবে আলোচনা করা হলো। একটি ব্লগ শুরু করার জন্য সবার আগে আপনার ব্লগিং করার উদ্দেশ্য আপনার কাছে পরিস্কার হতে হবে।

 

 

  1. ব্লগের টপিক নির্ধারণ

  2. ব্লগের নাম বাছাই

  3. ডোমেইন নেইম বাছাই

  4. ব্লগিং প্ল্যাটফর্ম নির্ধারণ

 

 

আরো পড়ুন

ব্লগিংয়ের বিষয়/টপিক বা নিশ বাছাই করুন:

 

 

 

 

যেমন একটি Cooking ব্লগ চাইলেই Fashion নিয়ে লিখতে পারবেনা। এটা করলে ব্লগের Trust বা Authority বলে কিছু থাকবে না।

 

আপনার খুব বেশি আইডিয়া/ জ্ঞান প্রয়োজন নেই। যে কোন একটি ছোট Topic নিয়েই আপনি কাজ শুরু করতে পারবেন।

 

আপনার সেই বিষয়ের প্রতি অনেক আগ্রহ আর ঝোঁক থাকতে হবে।

তাহলে আপনি তা সম্পর্কে শিখতে ভাল লাগবে অন্যকে জানাতে ভাল লাগবে।

 

তাই এমন একটি টপিক বের করুন যেটি সম্পর্কে কিছুটা জানেন এবং এই সম্পর্কে নতুন কিছু জানতে আপনার অনেক আগ্রহ আছে।

 

Topic টি নিয়ে অন্য মানুষের আগ্রহ কেমন?

 

 

কিভাবে ব্লগিং নিশ বা টপিক বাছাই করবেন:

 

 

 

  • Knowledge

  • Interest

  • High Search and Low Competition

  • Keyword Value

 

 তাই, ব্লগিংয়ের বিষয় ঠিক করার সময় সবার আগে আপনার মাথায় রাখতে হবে এই বিষয়ে আপনার  জ্ঞান আছে কিনা।

 

 

Interest:

 

 

যে কোন কিছুতেই আমরা ভাল করতে হলে আমাদের সেই বিষয়ের প্রতি আগ্রহ ও আবেগ থাকতে হবে।

 

 

 ব্লগিংয়ের নিশ বা টপিক বাছাইয়ের ক্ষেত্রে খুজে দেখুন কোন বিষয়ের প্রতি আপনার খুব আগ্রহ ও আবেগ রয়েছে।

 

 

অন্য যে কোন কাজ থেকে ব্লগিংয়ে অনেক বেশি সময়, মেধা ও শ্রম দিতে হয়।

যদি আপনার আগ্রহই না থাকে আপনি কিভাবে সময়, মেধা ও শ্রম দিবেন।

 

 

Keyword Value:

 

 

 

  যদি কোন বিষয়ের ভ্যালুই না থাকে সেটা নিয়ে ব্লগিং করতে পারেন কিন্তু আপনি ভাল আয় করতে পারবেন না।

খেয়াল করে দেখুন আমার এই ব্লগটি হচ্ছে ২ টি টপিক নিয়ে- 1) Blogging 2) Digital Marketing.

 

 

 

 

এই টপিক নিয়ে মানুষ কেমন আগ্রহী এবং কেমন আয় করা সম্ভব।

 

তাই, আপনার ব্লগিং নিশ বাছাইয়ের ক্ষেত্রে সেই কিওয়ার্ডের সার্চের পরিমাণ ও ভ্যালু যাচাই করুন ।

এই বিষয় নিয়েও মানুষ প্রতিনিয়ত অনেক সার্চ করছে এবং এর বিজ্ঞাপন ভ্যালু ও অনেক বেশি।

আপনি কিওয়ার্ডের সার্চের পরিমান, কম্পিটিশন ও ভ্যালু জানতে পারবেন।

 

এই জন্য Neilpatel এর জনপ্রিয় কিওয়ার্ড টুল Ubersuggest Addon টি আপনার ক্রোম বাউজারে ইনস্টল করে নিন।

 

 

High Search and Low Competition:

 

 

 

তাই, আপনাকে এমন একটি বিষয় বাছাই করতে হবে যে বিষয়ের সার্চ বেশি কিন্তু প্রতিযোগিতা কম। অর্থাৎ High Search and Low Competition. কিভাবে High Search and Low Competition Keyword খুঁজে বের করবেন তা নিয়ে আমার আলাদা একটি পোষ্ট আছে। পড়তে পারেন।

 

ব্যক্তিগত ওয়েবসাইট বা ব্লগ নিজ নাম দিয়েও খুলতে পারেন। আপনার ব্লগ ও আপনার ব্যক্তিগত নামে তৈরি করতে পারেন।

 

আপনার ব্লগের টপিক অনুসারেও একটি নাম দিতে পারেন। কয়েকটি ওয়েবসাইটের নাম যেমন,

My Blogger Tricks, Shout Me Loud, 10 Minute School,  BDclass ইত্যাদি।

 তাদের বলুন সেই টপিক অনুসারে কোন নাম আপনার জন্য সাজেস্ট করতে। অনেকজনের মাথায় অনেক আইডিয়া আসতে পারে।

সবগুলো নোট করুন।

 

 সহজেই ওয়েবসাইটের বিভিন্ন নামের আইডিয়া পেতে পারেন Lean Domain Search থেকে

 

ব্লগ বা ওয়েবসাইটের নাম বাছাই করতে, অবশ্যই নিচের বিষয়গুলো খেয়াল করবেন।

  • Short Domain Name :আপনার ওয়েবসাইটের নামটি যেন ছোট ও ইউনিক হয়। ছোট নামের সুবিধা হচ্ছে,

  • এটি মানুষ সহজে মনে রাখতে পারবে ও টাইপ করে আপনার সাইট ভিজিট করতে সমস্যা হবেনা।

 

  • Keyword Based –:

 

 

  • আপনি Cooking শব্দটি আপনার ডোমেইন নামের মধ্যে রাখবেন। এতে খুব সহজেই আপনার ব্লগ র‌্যাংক করতে পারবে।

  • Top Level Domain:ব্লগের নাম অনুসারে একটি টপ লেভেল ডোমেইন কিনবেন। সবচেয়ে ভাল হয়- .com বা .info ডোমেইন।

  • কোন ফ্রি বা সাব ডোমেইন ব্যবহার করতে যাবেন না। এগুলোর অনেক সীমাবদ্ধতা রয়েছে।

 

  • Avoid Numbers–:

 

 এবার একটি ডোমেইন রেজিষ্টার করতে হবে।

যদি আপনার ইউএসডি বা ইন্টারন্যাশনাল পেমেন্ট করার মত ডেবিট বা ক্রেডিট কার্ড থাকে,

যে কোন পপুলার রেজিষ্ট্রার থেকে আপনার ডোমেইন কিনতে পারেন।

 

 

পপুলার ইন্টারন্যাশনাল ডোমেইন রেজিষ্ট্রারগুলো হচ্ছে:

আপনি বাংলাদেশেই অনেক ভাল ডোমেইন রিসেলার আছে, তাদের থেকেও ডোমেইনটি কিনতে পারেন। আপনি যেখান থেকেই ডোমেইন কিনেন, সুযোগ সুবিধা প্রায় সমান।

ওয়েবসাইটের শেষে। dot (.) এর পর যে অংশটি থাকে তাই ডোমেইন।

যেমন – .com, .net, org, info, online, এগুলো প্রত্যেকটাই এক একটি ডোমেইন।

যেমন- আমার এই ওয়েবসাইটের abdulahwal.com এর ডোমেইন হলো .com।

 এদের মধ্যে বেশি পছন্দনীয় ও টপ লেভেলের ডোমেইন হচ্ছে, .com, .net, .info ও .org।

 

ধাপ ৪- ব্লগিং প্ল্যাটফর্ম বাছাই করুন:আপনার ব্লগ ওয়েবসাইট তৈরি ও রক্ষণাবেক্ষনের জন্য একটি সিস্টেম ব্যবহার করতে হবে এটাই হচ্ছে ব্লগিং প্ল্যাটফর্ম।

 

সবচেয়ে জনপ্রিয় ২টি ব্লগিং প্ল্যাটফর্ম হচ্ছে ওয়ার্ডপ্রেস (WordPress) ও ব্লগার (Blogger)।

 

এর মধ্যে ওয়ার্ডপ্রেস (WordPress) ব্যবহারের জন্য আপনাকে ব্যয় করতে হবে কিন্তু (Blogger) গুগলের একটি সম্পূর্ণ ফ্রি সার্ভিস।

 

ওয়ার্ডপ্রেস (WordPress):

 

 

 

যদিও ওয়ার্ডপ্রেস সফটওয়্যারটি সম্পূর্ণ ফ্রি, এটি ব্যবহার করার জন্য আপনাকে ওয়েব সার্ভার বা ওয়েব হোস্টিং ক্রয় করতে হবে।  আপনাকে সামান্য ব্যয় করতে হবে।

 

ওয়েব সার্ভারে ওয়ার্ডপ্রেস ইনস্টল করেই আপনি আপনার ব্লগ ওয়েবসাইট তৈরি করতে পারবেন।

Hostinger Black Friday Offer আমাদের Hostinger প্রোমোশন লিংক থেকে অর্ডার করলে পাবেন আরও ২০% ডিসকাউন্ট

হোস্টিং কেনার জন্য International Card না থাকলে, আমাদের সহযোগিতা নিতে পারেন। বাড়তি কোন ফি ছাড়াই, হোস্টিং কিনে দিবো আপনাকে।

 

 

ওয়ার্ডপ্রেসে আপনি যে সুবিধাগুলো পাবেনঃ

 

 

  • আপনার নিজস্ব সার্ভারে ওয়ার্ডপ্রেস ইনস্টল করে ওয়েবসাইট তৈরি করা হয় বলে, সম্পূর্ণ ওয়েবসাইট আপনার নিয়ন্ত্রণে থাকবে।
  • আপনার পছন্দমত ওয়েবসাইটের বিভিন্ন পরিবর্তন, কাস্টমাইজেশন করার জন্য আপনার সম্পূর্ণ সুযোগ রয়েছে।
  • ওয়ার্ডপ্রেস অনেক জনপ্রিয় হওয়ায়, ডেভেলপাররা বিভিন্ন থিম ও প্লাগিন ডেভেলপমেন্ট করার কাজে লেগে থাকেন। যার ফলে নতুন নতুন ফিচার ও সুযোগ সুবিধা পাওয়া যায়।

 

ব্লগার (Blogger):

 

 

 

যেহেতু আপনি একদম নতুন এবং আপনার এই বিষয়ে টেকনিক্যাল জ্ঞান নেই, আপনার এই মুহুর্তে হোস্টিং, থিম ও ডেভেলপারের জন্য টাকা ইনভেস্ট করা উচিত হবেনা। আপনার জন্য ব্লগার (Blogger) ই বেস্ট।

পরে আপনি চাইলে আপনার Blogger ব্লগ কে WordPress এ মাইগ্রেট করে নিয়ে আসতে পারবেন।

আরো পড়ুন

ব্লগারের কিছু সুবিধাঃ

 

 

  • টেকনিক্যাল জ্ঞান ছাড়াই এটি ব্যবহার করতে পারবেন।
  • বিস্বস্ত, নিরাপদ ও হ্যাকিং হবার কোন সম্ভাবনাই নেই
  • সম্পূর্ণ ক্লাউড সার্ভার হওয়ায়, আপনার ওয়েবসাইট অনেক দ্রুতগতির হবে।

 

 

ওয়ার্ডপ্রেস বা ব্লগার যা দিয়েই আপনি সাইট তৈরি করেন না কেন, গুগল সার্চে র‌্যাংকিংয়ে এটা খুব একটা প্রভাব ফেলবেনা।

 

তবে ওয়ার্ডপ্রেসে এসইও করা সহজ।

WordPress দিয়ে ব্লগ তৈরি করা নিয়ে কোন অসুবিধা বা প্রশ্ন করতে পারেন আমাকে।

 

কিভাবে ব্লগিং শুরু করবো – A-Z ব্লগিং গাইড ২০২4

 

ওয়ার্ডপ্রেস – WordPress দিয়ে কিভাবে ব্লগ তৈরি করবেন:

 

 

পৃথিবীর যে কোন দেশ থেকে ভিজিটররা ইন্টানেটের মাধ্যমে আপনার ওয়েবসাইট বা ব্লগ দেখতে পারবে।

যত ভাল মানের হোস্টি আপনি নিবেন, তত ভাল পারফর্মেন্স আপনার ওয়েবসাইট দিতে পারবে। তাই মোটামুটি একটি ভাল হোস্টিং নেয়া জরুরী। বিভিন্ন ধরণের হোস্টিং

 

ব্লগার-Blogger থেকে কিভাবে একটি ব্লগ তৈরি করবেন:

 

এটি বিনামূল্যে এবং হোস্টিংয়ের জন্য কোন পেমেন্ট করতে হয়না। একটি ব্লগ তৈরি করতে শুধুমাত্র কয়েক মিনিট প্রয়োজন।

 

আপনার ডোমেইনটি ক্রয় করেই কয়েক মিনিটের মধ্যে আপনি নিজেই আপনার ব্লগ তৈরি করে ফেলতে পারবেন।

 

ভাল কনটেন্ট লিখলেন কিন্তু কোন ভিজিটর/ পাঠক নাই, কেমন হবে? কোথা থেকে আসবে আপনার ভিজিটর?

 

আপনার ব্লগকে  গুগলের বা অন্য সার্চ ইঞ্জিনের রেজাল্টের একদম প্রথম পাতায় আনতে হবে।

 

এজন্য আপনাকে যা যা করতে হবে এ সকল কাজের সমষ্টি হচ্ছে Search Enging Optimization (SEO)।

 

 

সঠিক SEO Techniques ব্যবহার করে Google, Bing সহ অন্যান্য Search Engines থেকে প্রচুর Organic Traffic/ Visitors পাবেন।

 

 

আপনাকে অবশ্যই মোটামুটি এসইও (SEO) জানতেই হবে।

 

কোন চিন্তা নয় এসবের জন্য আমি তো আছি। আপাতত আপনাকে মৌলিক ধারণা দেই।

SEO প্রধানত দু ধরণের-

 

  • On Page SEO
  • Off Page SEO

 

অন পেজ এসইও কি – On Page SEO

ওয়েবসাইটের প্রত্যেকটি পেইজের একটি নাম  Title থাকে। আপনার পেইজের টাইটেলগুলো এমন হতে হবে যেন সহজেই সার্চ ইঞ্জিনে সবার উপরে Rank করে এবং ভিজিটরকে আকৃষ্ট করে।

 

 

Description:

 

 

ব্লগের প্রতিটি Page এবং Post এর একটি সংক্ষিপ্ত বর্ণনা Description দিতে হয় যেটি গুগল সার্চে Snippet হিসেবে দেখানো হয়। এটিকে SEO এর ভাষায় Meta Description বলা হয়।

 

Headings:

 

Subheadings গুলোতে অবশ্যই আপনার ব্লগ পোস্টের Main Keyword এর Long Tail ও Relevant Keyword দিয়ে করা উচিত।

 

Heading দেয়ার ক্ষেত্রে কখনোই এলোমেলো হেডিং ব্যবহার করা যাবে না। যেমন, Heading 2 এর মধ্যে, H3 না দিয়ে H4/H5 দেয়া। আবার একই পেইজে একাধিক H1 ব্যবহার করা।

 

Keyword:

 

Google এ সার্চ করা কিওয়ার্ড গুলো Google এর কাছেই আছে। আর Google আপনাকে এসব Free দিচ্ছে।

আমি এই ব্লগেই শেখাবো কিভাবে বিনামূল্যে কিওয়ার্ড রিসার্চ করবেন।

 

Image Optimization:

 

Image Alt Tag হচ্ছে image সম্পর্কে Information যেটা Google Search Crawler কে ছবিটি কি তা বুঝতে সহায়তা করে। Search Ranking এর গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি Factor এর মধ্যে এটি অন্যতম।

 

On Page SEO নিয়ে বিস্তারিত আরেকটি পোস্ট থাকবে। সেখানে খুঁটি নাটি সব বিষয় নিয়ে আলোচনা করব।

 

Off Page SEO:

 

গুগল সার্চ কনসোল ও গুগল এ্যানালিটিক্স সেটআপ

 

 

আপনার ব্লগের আর্টিকেলগুলো Google Search এ দেখানোর জন্য আপনার ব্লগ ওয়েবসাইটকে Google Search Console এ Submit করতে হবে।

 

এছাড়া আপনার ব্লগের ভিজিটরদের সম্পর্কে জানতে, Keyword Analysis, Content Performance ইত্যাদি দেখার জন্য Google Analytics সেটআপ করতে হবে।

কিভাবে ব্লগিং শুরু করব?:

 

অনলাইনে মানুষ সার্চ করে জানতে চায়, শিখতে চায় এমন কোন টপিক বাছাই করুন।

এবার আপনার ব্লগের জন্য একটি ডোমেইন কিনুন এবং Blogger বা WordPress এর মাধ্যমে একটি ব্লগ তৈরি করে সেই টপিকে ব্লগ লিখা শুরু করুন।

ব্লগিং করে কত টাকা আয় করা যায়?

 

ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, উকিলের চেয়ে অনেক বেশি আয় করা যায়।

 

FounderJar.com এর তথ্য অনুযায়ী বিশ্বের সবচেয়ে বেশি আয় করা ব্লগার Tim Sykes তার timothysykes.com থেকে প্রতি মাসে $1 million (৮,৪৭,৭৩,৫২০ টাকা প্রায়) আয় করেন।

 

ব্লগিং এর কাজ কি?

 

 ওয়েবসাইট যেখানে আপনি কোন বিষয়ে নিয়মিত লেখালেখি বা তথ্য শেয়ার করবেন।

 

ভিজিটররা আপনার লেখা/জ্ঞান বা তথ্য পেয়ে উপকৃত হতে পারে এবং কমেন্ট করতে পারে।

শেষকথা:

এত কিছু করা লাগে ব্লগিংয়ে। এটাতো খুব কঠিন।

আসলে, একমাত্র ব্লগিংই অনলাইনে ভাল ও নির্ভরযোগ্য আয়ের জন্য সবচাইতে সহজ কাজ যদি আপনার জ্ঞান ও ইচ্ছা থাকে।

 

 

আপনি শুধুমাত্র আমার এই ব্লগ থেকেই, ব্লগিং ও এসইও বিষয়ক সকল টিউটোরিয়াল বিনামূল্যে পাবেন।

3 thoughts on “কিভাবে ব্লগিং শুরু করবো – A-Z ব্লগিং গাইড ২০২4”

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *