Latest post Tech News

১২০ কোটি টাকা মূল্যের কম্পিউটার

amarblog
Written by pro_noob

সাধারনত কম্পিউটার দেখতে কেমন হয়? একটা টিভির মত মনিটর, একটা বাক্সের মত সিপিইউ থাকে, কিবোর্ড এবং মাউস এটাই তো কম্পিউটার তাই না? কিন্তু বিজ্ঞানীরা এমন জিনিস তৈরি করতে যাচ্ছেন, যার ছবি আপনি না দেখলে একে আপনি একটি জঞ্জাল ভেবেই ভুল করবেন। কিন্তু এই জঞ্জাল এর দাম ই হচ্ছে কমপক্ষে ১৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার যা বাংলায় ১২০ কোটি টাকার ও বেশী।খুব কম দাম তাই না? যদি ও এটা মাত্র প্রস্তাবিত দাম, তৈরি হয়ে গেলে খবর আছে। এটা কেনার জন্য জমিদার হয়ে ও লাভ নেই, কেননা নির্বাচিত ব্যাক্তি ছাড়া আর কারো কাছেই এটা যাবে না।এই কোয়ান্টাম কম্পিউটার এর স্বপ্ন বিজ্ঞান দেখছে প্রায় ১৫০ বছর আগে থেকে।

পরিচিতি : বিজ্ঞানী রা এখন এমন এক কম্পিউটার তৈরির জন্য ঘাম ঝরাচ্ছেন যা দেখতে হবে উল্টো একটা কেক এর মত। চার পাচ স্তরের কেক উল্টো করে ঝুলিয়ে দিলে যেমন হয় ঠিক তেমন। থাকবে অনেক ধাতব সিলেন্ডার ও পেচানো তার, আর সব কিছুর নিচে থাকবে ছোট্ট একটা কালো চিপ। অদ্ভুত এই বস্তু কেই বলা হচ্ছে কোয়ান্টাম কম্পিউটার। বিজ্ঞানী দের ধারোনা এই কম্পিউটার বদলে দিবে পুরো প্রযুক্তি বিশ্ব। বদল টা আসলে কেমন হবে? এই জায়গা তেই কিছু কিন্তু আছে। বর্তমান কম্পিউটার ব্যাবস্থার তুলনায় সম্পূর্ন নতুন এই কোয়ান্টাম কম্পিউটার। যেসব গাণিতিক সমস্যা মানুষ তো দূরে থাক সুপার কম্পিউটার এর করতে ও বছর এর পর বছর লেগে যায়, সেসব সমস্যা এক তুরি তেই সমাধান করে দিবে কোয়ান্টাম কম্পিউটার। নতুন নতুন ঔষধ আবিষ্কারে সহায়তা করবে এটি। নতুন পদার্থ আবিষ্কারে ও আসবে বৈপলবিক গতি। এক কথায় কোয়ান্টাম কম্পিউটার প্রযুক্তি বিশ্বে এক নতুন অধ্যায় এর সূচনা করতে যাচ্ছে। পুরো কম্পিউটার সিস্টেম টা কেই বদলে দিবে। কিন্তু হাতের উল্টো পিঠ ও আছে। কোয়ান্টাম কম্পিউটার এর বিপত্তি অনেক। বর্তমান ইন্টারনেটের মাধ্যমে পুরো বিশ্ব মানুষের হাতের মুঠোয় চলে এসেছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যক্তিগত জীবনের ছোট ছোট অনুভতি প্রকাশ করা থেকে শুরু করে ব্যাংকের কাজ ও নির্ভরশীল এই অর্ন্তরজালের উপরে। বর্তমানের এই ইন্টারনেট ব্যবস্থা কিছু নির্দিষ্ট ইনক্রিপশন অনুসরন করে। ক্রিপ্টগ্রাফি বা সংকেত লিখন পদ্ধতি ব্যবহার করে এসব ইনক্রিপশন তৈরি হয়। ইনক্রিপ্টেড ব্যবহার করার কারনে ইন্টারনেট ব্যাবহার নিরাপদ থাকে এবং ব্যাবহার কারীর তথ্য গোপনীয় রাখতে সাহায্য করে। সমস্যা হলো ভবিষ্যৎ এর কোয়ান্টাম কম্পিউটার হালের ইন্টারনেট ইনক্রিপশন এর যম এ পরিনত হবে। এক তুরিতেই বর্তমানের ইন্টারনেট এর ক্রিপ্টগ্রাফি হ্যাক করতে পারবে কোয়ান্টাম কম্পিউটার। এই কোয়ান্টাম কম্পিউটার প্রযুক্তি যদি হ্যাকারের হাতে তবে বিশ্ব জুরে কোটিকোটি ইন্টারনেট ব্যবহার কারীর তথ্য ঝুকিতে পরে যাবে।

amarblogbd

কোয়ান্টাম কম্পিউটার কি : সাধারন কম্পিউটার কাজ করে বাইনারি সংখ্যা দিয়ে। বাইনারি পদ্ধতিতে সংখ্যা মাত্র দুটি ০ এবং ১। এই দুটি সংখ্যা দিয়েই যাবতীয় কাজ করে এখনকার কম্পিউটার। দ্যা টেলিগ্রাফের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে বর্তমান ব্যাবস্থায় প্রতিবার হয় ০ অথবা ১ ব্যবহার করতে পারে কম্পিউটার। কিন্তু কোয়ান্টাম কম্পিউটার ০ এবং ১ দুটির ই প্রতিনিধিত্ব করতে পারবে। বিশেষ এই কম্পিউটার এর মৌলিক একক কে বলা হয় কিউবিটস। বাইনারি সংখ্যা হিসেবে ০ এবং ১ ব্যবহার এর অনবত্ব বৈশিষ্টের কারনে কোয়ান্টাম কম্পিউটার জটিল গাণিতিক সমস্যার ও দ্রুত সমাধান করতে পারবে। ইকোনোমিষ্টের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে দূর্বব্ধ ও জটিল কোয়ান্টাম মেকানিক্সের উপর নির্ভরশীল কোয়ান্টাম কম্পিউটার। কোয়ান্টাম মেকানিক্সের সুপার পজিশন ও ইন্ট্রাঙ্গেল্মেন্ট পদ্ধতি ব্যবহার করে কাজ করে এই কম্পিউটার। খুব বেশী সংখ্যক গাণিতিক সমস্যার সমাধান এটি করে না, তবে যে অল্প সংখ্যক জটিল গাণিতিক সমস্যার সমাধান এই কম্পিউটার করে সেগুলো বর্তমান কম্পিউটার এর পক্ষে করা অত্যন্ত কঠিন এবং দীর্ঘ সময় সাপেক্ষ কিছু খেত্রে সম্পূর্ন অসম্ভব ব্যপার। সংবাদ মাধ্যাম অয়্যার হেড বলেছে  কোয়ান্টাম বিটস বা কিউবিটস নানা প্রক্রিয়ায় গোঠিত হতে পারে। তবে এগুলো সবসময় ০ এবং ১ এর প্রতিনিধিত্ব করে এবং এই পুরো প্রক্রিয়া ইলেক্ট্রনিকস ভাবে নিয়ন্ত্রন করা যায়। তবে প্রথাগত কম্পিউটার বিটস এর চেয়ে বহুগুন শক্তিশালী এই কিউবিটস।

amarblogbd

কোয়ান্টাম কম্পিউটার সুবিধা সমূহ : টেলিগ্রাফ বলছে কার্যকর কোয়ান্টাম কম্পিউটার অসীম সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দিতে পারে। নতুন টেকসই নির্মান সামগ্রী তৈরিতে গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা রাখবে এই কম্পিউটার। ক্যান্সার বা এইডস এর মত দূরারোগ্য ব্যধীর নিরাময় তৈরিতে এটি সহায়তা করবে। মাইক্রসফট এর কর্মকর্তা ক্রিস্তাসুয়ে বলেন এর প্রভাব হবে অভাবনীয়। কোয়ান্টাম কি করতে পারে সে বিশাল সম্ভাবনার বিশাল সমুদ্রের কেবল আমরা একদম উপরে রয়েছি। আমরা এখনো ভালো মত জানি না এর ভেতরে আমরা কি করতে যাচ্ছি এবং কি পেতে যাচ্ছি। কোয়ান্টাম কম্পিউটার এর সাহায্য নিয়ে বৈশ্যিক উষ্ণতা সমস্যার প্রকৃতি বুঝতে পারবো আমরা একইসঙ্গে কিভাবে কার্বন ধরে রাখা যাবে এবং পৃথিবীকে বাচানো যাবে সেটাও আমরা জানতে পারবো। প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান আইবিএম এর কোয়ান্টাম বিভাবগের ভাইস প্রেসিডেন্ট মনে করেন কোয়ান্টাম কম্পিউটার প্রযুক্তিতে নতুন বিপ্লবের সূচনা করবে। তিনি বলে সাধারন মানুষ এখন ও এই বিষয়ে বিস্তৃতি আচ করতে পারছে না। কোয়ান্টাম কম্পিউটার এর কল্যানে মানুষ আরো ভালো পন্য হাতে পাবে, খাবারে আসবে নতুন স্বাদ, তৈরি হবে নতুন নতুন ঔষুধ। জটিল গাণিতিক সমস্যা সমাধান এর মাধ্যমে বর্তমান এর উরোজাহাজকে আরো দ্রুতগামী করা যাবে। এসব উরোজাহাজকে আবার জ্বালানি কমে ও ব্যবহার করা যাবে। আইবিএম এর গবেষনা বিভাগ যানাচ্ছে কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তা প্রকাশে জুগান্তকারী ভূমিকা রাখতে পারে এই কোয়ান্টাম কম্পিউটার। বিশেষ করে কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তাকে আরো নিখুত গড়ে তোলা সম্ভব এর মাধ্যমে।

amarblogbd

কোয়ান্টাম কম্পিউটার অসুবিধা সমূহ : মানুষের হাতে এখন ও কোয়ান্টাম কম্পিউটার পুরোপুরি ভাবে আসেনি তাতেই এর নেগেটিভ সাইটগুলো নিয়ে অনেকি ভাবে শুরু করেছে। কিন্তু বাস্তবিক অর্থে এই কম্পিউটার যখন মানুষের হাতে চলে আসবে তখন এর খারাপ ব্যবহার এর সম্ভবনার কিন্তু একদম ই শেষ নেই, আর ভুল মানুষের হাতে পরলে এই কোয়ান্টাম কম্পিউটার হয়ে দারাবে সীমাহীন ভোগান্তির কারন। শুধু একবার ভেবে দেখুন আপনার ফোনের কন্টাকলিস্ট থেকে আপনার ক্রেডিট কার্ড এর পাসওয়ার্ড ও চলে গেছে অন্যের হাতে। কি গা শিউরে উঠছে না? টেলিগ্রাফ বলছে কোয়ান্টাম কম্পিউটার হালের ইন্টারনেট ক্রিপ্টগ্রাফি নিমিষেই ব্রেক করতে পারবে। ফলে অপরাধীদের নিয়ত্রনে এই কম্পিউটার থাকলে এতদিন ধরে চলে আসা এই ইন্টারনেট ব্যবস্থা সম্পূর্ন ভেঙ্গে যাবে। কোটি কোটি মানুষের ব্যক্তিগত তথ্য ব্যহাত হয়ে যাবে, হ্যাক করা যাবে গর্ভমেন্ট ডেটাবেজ। ব্যাংকিং ব্যবস্থায় ধস নামবে। ইন্টারনেট ভিত্তিক অর্থ লেনদেন নিয়ন্ত্রন করে আঙ্গুল ফুলে কলা গাছ হতে পারবে এসব অবৈধ হ্যাকার রা আবার রাষ্ট্রীয় প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে ও এরা আঙ্গুল দুলে শ্বাসাতে পারবে। নটিংহাম ট্রেড ইউনিভার্সিটির কোয়ান্টাম কম্পিউটিং বিশেষজ্ঞ কলেন উল্মুন বলেন যে পক্ষ সবার আগে কোয়ান্টাম কম্পিউটার এর মালিক হবে সে পক্ষই এই অসীম ক্ষমতার অধিকারী হবে। কোয়ান্টাম কম্পিউটার ক্লাসিক ক্রিপ্টগ্রাফিক ব্যবস্থাকে বিশাল ঝুকির মধ্যে ফেলবে। ইকোনোমিষ্ট বলছে কোয়ান্টাম কম্পিউটার এর অপব্যবহার বিশ্বব্যপী দুই ট্রিলিয়ন ডলার মুল্যমান এর ইকমার্স শিল্পকে এক সেকেন্ডে  ধ্বংস করে দিতে পারে, কারন বর্তমানে প্রচলিত ইন্টারনেট ক্রিপ্টগ্রাফি ব্যবহার করেই এসব আর্থিক লেনদেন সম্পাদিত হয়ে থাকে। এই ক্রিপ্টগ্রাফি রাষ্ট্রিয় তথ্যের গোপনীয়তাকে ও সুরক্ষীত রাখে। সুতরাং এই ক্রিপ্টগ্রাফি ব্যবস্থাকে ভেঙ্গে ফেলতে পারলে ডেবিট ক্রেডিট কার্ডের বিস্থারিত তথ্য ব্যংকিং লেনদেন যাবতীয় ইমেইল এক কথায় ইন্টারনেট সংশ্লিষ্ট সবকিছুই যে কেউ হাতের নাগালে নিয়ে নিবে। তখন যে কেউ এসব তথ্যের অপব্যবহার করতে পারবে এবং চুরে ও করতে পারবে, সমস্যা রয়েছে রাষ্ট্র জজ্ঞ নিয়ে ও। নেদারল্যান্ডের ক্রিপ্টগ্রাফার পিটারসেফ বলেন আজ থেকে দশ থেকে বিশ বছর পর কেউ যদি আজেকের ই ক্ষুদে বার্তা বা বাংক হিসাব দেখতে পান তবে আমার মত সাধারন মানুষের হয়তো কিছু যাবে আসবে না। কিন্তু একবার ভেবে দেখুন আমি যদি একটি দমন মূলক রাষ্ট্রের নাগরীক হই তখন কি হবে? এটা কি তখন দমন এর অন্যতম হাতিয়ার হয়ে উঠবে না?

কোয়ান্টাম কম্পিউটার কারা বানাবে : কিছু এক্সপার্ট বলছেন যে আগামী ৫ বছর এর মধ্যেই ইন্টারনেট ব্যবহার উপযোগী কোয়ান্টাম কম্পিউটার তৈরি হয়ে যেতে পারে। তবে মোস্ট এক্সপার্টরা বলছেন আরো ১২ থেকে ১৫ বছর আমাদের অপেক্ষা করতে হবে একটা পূর্নাঙ্গ কোয়ান্টাম কম্পিউটার পাওয়ার জন্য। তবে যেভাবে বিভিন্ন রাষ্ট্র এবং বিভিন্ন প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান গুলো উঠেপরে লেগেছে তবে ধারনা করা হচ্ছে সে দিন খুব দূরে নয়, আবার এটাও ধারনা করা হচ্ছে কেই যদি বানিয়ে একবার ফেলে তবে সে অন্যদের তৈরিতে বাধা প্রদান করবে এবং অন্যরা যাতে এটা তৈরি করতে না পারে তার জন্য সর্ব শক্তি নিয়োগ করবে। এতে করে যে সবার আগে কোয়ান্টাম কম্পিউটার এর মালিক হবে সে ই হতে যাচ্ছে ভবিষ্যৎ পৃথিবীর অলিখিত বাদশাহ। যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফনিয়ায় মাউন্টেইন ভিউয়ে করা পাহারায় কোয়ান্টাম কম্পিউটার নিয়ে গবেষনা চালাচ্ছে গুগল। বসে নেই আইবিএম ও মাক্রসফট। এই দুটি প্রতিষ্ঠান ই জোরে সোরে চালাচ্ছে কোয়ান্টাম গবেষনা। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন অন্যদের থেকে এগিয়ে রয়েছে গুগল। আর্ন্তজাতিক প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান গুলোর এই প্রতিযোগিতায় শামিল হয়েছে চীনা প্রতিষ্ঠান আলিবাবা এবং হুয়ায়ে। শক্তিশালী রাষ্ট্র গুলো নাম লেখিয়েছে এই রেস এ। টেলিগ্রাফের দাবি কোয়ান্টাম এর গবেষনায় যুক্তরাজ্য নাকি সবচেয়ে বেশী ২০১৮ সালে অর্থ বিনিয়োগ করেছে। বৃটিষ সরকার ২০১৩ সালে জাতীয় কোয়ান্টাম কম্পিউটার প্রযুক্তি ক্ষাতে মোট ২৭০ মিলিয়ন পাউন্ড এর বিনিয়োগের ঘোষণা করেছিলো। তাহলে বুঝতে পারছেন বর্তমানে এর কি পরিমান বিনিয়োগ এই কোয়ান্টাম কম্পিউটার এ রেখেছে? কোয়ান্টাম প্রযুক্তির উন্নতির জন্য ১০ বছর মেয়াদি বিনিয়োগের প্রকল্পের আনছে যুক্তরাষ্ট্র। অন্যদিকে ২০২০ সালের মধ্যে জাতীয় পর্যায়ে কোয়ান্টাম ইনফরমেশন সাইন্স ভিত্তিক পরীক্ষাগার প্রতিষ্ঠা করতে ১০ বিলিয়ন ডলার বরাদ্দ করেছে চীন। সুতরাং বুঝায় যাচ্ছে কোয়ান্টাম কম্পিউটার তৈরিতে কে কার আগে যাবে তা নিয়ে ঈদুর দৌরে সবাই নেমে গেছে। টেক জায়ান্ট বা পাওয়ারফুল কান্ট্রি এদের কারো মধ্যেই কোনো তফাত নেই। তবে যেই পক্ষই এই কোয়ান্টাম জ্যাকপটে প্রথম হাত দিতে পারবে তারাই বিশ্বের অর্থনীতি এবং প্রযুক্তিতে নেতৃত্বে চলে আসবে। এবং বাকিরা তাদের অনুসরন করতে বাধ্য হবে।


প্রযুক্তি প্রেমী তথা সাধারন মানুষদের একটাই আশা কোয়ান্টাম কম্পিউটার যেনো হ্যাকার দের হাতে না পরে তবে প্রযুক্তি বিশ্বের উপর নেমে আসতে পারে জাপানের হিরোসিমা এবং নাগাসাকির মত একটা পারোমানবিক এ্যাটাক এর মত খুব ভয়ঙ্কর একটা দুর্দশা।

Subscribe
Notify of
guest
0 Comments
Inline Feedbacks
View all comments