রাত জেগে মুভি দেখার পর সকাল বেলা ঘুমটা

রাত জেগে মুভি দেখার পর সকাল বেলা ঘুমটা, যখন চাঙা হইছে তখন হঠাৎ খেয়াল করলাম কেউ আমার লুঙি ধরে টানতাছে। আমি ভাবলাম স্বপ্ন দেখতাছি। কিন্তু আরেকটু পর যখন লুঙি খুলে যাওয়ার উপক্রম হলো তখন বুঝতে পারলাম স্বপ্ন না সত্তি।

আমি লাফ দিয়ে উঠলাম, – ওই আপনি আমার লুঙি ধরে টানাটানি করতাছেন কেনো? (আমি) – তা না হলে তো তোর ঘুম ভাঙেনা।(নিলিমা) – তাই বলে একটা ছেলের লুঙি ধরে টানাটানি।(আমি) – একটা ছেলে মানে তোর যা আছে সব আমার লুঙিটা কোনো ফ্যাক্ট না।(নিলিমা) – বেশি বেশি হয়ে যাচ্ছে ।(আমি) – এতোক্ষন কম ছিলো এবার বেশি হবে দাড়া।

(নিলিমা) বলেই লুঙিটা একটানে খুলে ফেললো, ভাগ্যিস কাথা ছিলো উপরে নইলে আজকে আপনাদের সামনে আমার মান ইজ্জত সব চলে যেতো। – ওই লুঙি দেন।(আমি) – দিবো না কি করবি?(নিলিমা) – দাড়াও দেখাইতাছি কি করবো?, (আমি) বলে উঠতে গিয়ে আবার বসে পড়লাম। – কি হলো উঠ।(নিলিমা) – এখন লুঙি নাই বলে কিছু বললাম না।

(আমি) – লুঙি নিতে চাইলে একবার ভালোবাসি বল?(নিলিমা) – না বলতে পারবো না?(আমি) – তাহলে লুঙি নাই?(নিলিমা) – আই লাভ ইউ।(আমি) – এইতো আমার বাবুটা ধরো তোমার লুঙি।(নিলিমা) চলে গেলো। আমি একটা মুচকি হাসি দিলাম। জানিনা কেনো ওকে আমার খুব ভালো লাগে ওর এইসব পাগলামি গুলা আরো বেশি ভালো লাগে।

প্রতিদিন ওর ভালোবাসা মিশ্রিত অত্যাচার যেনো আরো বেশি ভালো লাগে। মেয়েটা কেমন যানি কখনো আপনি বলে কখনো তুই অথবা তুমি তার কোনো ঠিক নাই,! . আচ্ছা পরিচয়টা দেই, আমি আবির…….আর নিলীমা আমার গল্পের নাইকা…..যার, ছোট বেলায় ওর বাবা মা মারা যায়। ওর বাবা আমার বাবার বন্ধু ছিলো তাই ওকে আমাদের বাড়িতে রাখা হয়।

আমার মা ওকে নিজের মেয়ের মত মনে করে। আমাদের বিয়ে অনেক আগে থেকেই ঠিক করা। আম্মু বলে আমার এই লক্ষি মেয়েকে আমি নিজের ঘরেই রাখবো। আব্বুও মানা করেনি। , সবকিছু ঠিকঠাক ই ছিলো কিন্তু একটা বছর ধরে সবকিছু গোলমাল হয়ে গেছে যখন শুনেছে ওর আর আমার বিয়ে ফাইনাল।তারপর থেকেই আমাকে ওর এইসব অত্যাচার সহ্য করতে হয়। , যাই হোক মেয়েটা আমাকে অনেক ভালোবাসে ।আমিও বাসি তবে প্রকাশ করিনা। ,

নতুন পর্ব শুরু,,,,,, ফ্রেশ হয়ে খেতে বসলাম। হঠাৎ নিলিমা জোড়ে পায়ের মধ্যে একটা লাথি মেরে দিলো। এইটা ওর রোজকার রুটিন তাই আমিও কিছু বলতে পারিনা। কিন্তু এর শোধ আমি নেই কখন যানেন যখন আমি অসুস্থ হয়ে পড়ি তখন। মেয়েটা সারারাত জেগে থাকে আমার সেবা করে তখন মনে হয় জিবন ধন্য ওকে পেয়ে কিন্তু যখন আবার সু্স্থ হই তখন আবারো শুরু ওর অত্যাচার। ,

খাওয়া শেষ করে কলেজ যাওয়ার জন্য রেডি হলাম। তারপর দুজনে কলেজে আসলাম। ক্লাস শেষ করে আবারো বাসায় চলে আসলাম। , রাতে বিছানায় শুয়ে আছি তখন ওর আগমন। –

ওই শোন?(নিলিমা) – কি?(আমি) – আমার এক সেট চুরি পছন্দ হইছে কিনা দিবি?(নিলিমা) – আমি কেনো দিবো আমিকি আপনার বয়ফ্রেন্ড নাকি?(আমি) – দিবি কিনা তাই বল।(নিলিমা) – না দিবো না।(আমি) নিলিমা রাগ করে চলে গেলো। আমি অবশ্য কিনেই রাখছি ওর জন্য। ওকে যখন দেখছিলাম চুরিগুলা হাতে পড়তে তখন ই কিনে ফেলছিলাম।

Leave a Comment