ভাইয়া আমি এখন অনেক টাকা কামাই

ভাইয়া আমি এখন অনেক টাকা কামাই, অবসর সময়টা টিউশনি করি। আমার ভাইয়া চাকরি করে আর ছোট ভাই ১৪ বছর, সে হাফেজি পড়ে, অলরেডি একুশ পারা মুখস্ত করে ফেলেছে। আমি আমার ফ্যামিলিকে অনেক এগিয়ে নিতে চাই।

আমার ভাইয়া ভালো চাকরি করে। আর আমি বাবাকেও একটা ভালো পথ ধরিয়ে দিয়ে নিশ্চিত হবো। আর এখন আমি নিজেই যেহেতু অনেক টাকা কামাই সো, সবার দায়িত্ব আমি নিজেই নিতে চাই। এখন আলহাম্দুলিল্লাহ্ আমার লাইফ টা অনেক হ্যাপি ভাইয়া। আমার বাবা মায়ের সিদ্ধান্তেই আমার ফিউচার।

তারা যা করবে তা আমার ভালোর জন্যই করবে। কারণ আমি আর একই ভুলে দ্বিতীয় বার জড়াতে চাইনা। আচ্ছা ভাইয়া শুনেন, – হুম, – আমি আমার লাইফ স্টোরিটা কেনো শেয়ার করতে বললাম জানেন? – হুম জানি? অন্য কোনো মেয়ে যাতে এমন ভুল করার আগে একবার হলেও ভাবে। –

আচ্ছা ভাইয়া, মানুষ এতোটা বেঈমান কেনো হয়? – লাইফে জীবন সঙ্গি বেছে নিতে যদি ভুল করেন তাহলে – হিহিহি,,,,,, পরিশেষে একটা ম্যাসেজ দিতে চাই সকলকে, পরিবারের প্রিয় মানুষ, যারা ১৮-২০ বছর আদর যত্ন করে বড় করলো, তাদের মনে কষ্ট দিয়ে কি কখনো সুখি হওয়া যায়?

আচ্ছা ১৮ বছরের ভালোবাসা ত্যাগ করে তাদের অনুমতি ছারা অন্য একটা হাত ধরে চলে যাওয়াটা কি বেঈমানির মধ্যে পরে না? সত্যি কথা বলতে প্রেম সবাই করতে পারে। কেও দুই তিনটাও করে। প্রেম সব্দটা অনেক ইজি। দেখা হলো ছেলে লাভ ইু বললো, মেয়ে টু বললো, রিলেশন শীপ হয়ে গেলো? দ্যাট সেট? কিন্তু প্রেম আর ভালোবাসাটা কি এক?

আমি বলবো না, প্রেমতো অনেকেই করে। কিন্তু সঠিক ভাবে একজন মানুষকে সত্যিকারের ভালোবাসতে কয়জনে পারে? আমাকে আগে দেখতে হবে সে আমায় কতটুকু ভালোবাসে। আমি যদি যাচাই না করেই তার প্রেম সাগরে ডুব দিতে থাকি তাহলে আমার অবস্থাটা হয়ে চায়ের কাপে ভিজিয়ে রাখা বিস্কিটের মতোই।

শুধু ছেলেরা নয় মেয়েরাও বেঈমানের কাতারে পিছিয়ে নেই। আচ্ছা যাই হোক আমার কথাগুলো কারো খারাপ লাগলে, ছোট ভাই হিসেবে ক্ষমার চোখে দেখবেন প্লিজ। আর হ্যা, আরেকটা কথা, চলতি পথে পিছু টান হলো আশে পাশের কিছু মানুষের খোচা দেওয়া কথা। এগুলো এড়িয়ে চললেই তুমি লক্ষে পৌছাতে পারবে।

Leave a Comment